পটেনশিয়াল আইটি https://www.potentialit.xyz/2022/08/notun-fon-kenar-por-koroniyo.html

নতুন ফোন কেনার পরে করণীয় ২০২২

নতুন ফোন কেনার পরে করণীয় কী হতে পারে তা নিয়েই আজকে আপনাদের সাথে আলোচনা করবো। নতুন স্মার্টফোন কেনার পরে সবার কাছেই বেশ ভালো লাগে। 

তবে নতুন মোবাইল কেনার পরে বেশ কিছু কাজ করতে হয়। এগুলো অনেকে না জানার কারণে আমরা নতুন মোবাইল ফোনের সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে পারি না। তাই আজকে আমরা নতুন অ্যান্ড্রয়েড/ বাটন ফোন কেনার পর করণীয় সম্পর্কে কথা বলবো। 

অফিসিয়াল কিনা যাচাই করুন

নতুন মডেলের ফোন কেনার পর প্রথমেই যাচাই করে নিবেন ফোনটি অফিসিয়াল কিনা। এজন্য আপনাকে মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে টাইপ করতে হবে KYD <space> IMEI Number (একটি মোবাইলের বাক্সে লেখা থাকে) লিখে 16002 এই নম্বরে এসএমএস করবেন। 

ফিরতি এসএমএসে আপনাকে জানানো হবে মোবাইলটি অফিশিয়াল কিনা। সরাসরি IMEI Code চেক করার জন্য *#৬# ডায়াল করতে হবে। বলে রাখা ভালো এসএমএস পাঠানোর পূর্বে আপনার নতুন মোবাইল একটি সিম কার্ড প্রবেশ করাতে হবে। 

মোবাইলের বাক্সটি ভালোমতো যাচাই করুন

এই কাজটি নতুন ফোন কেনার আগে করণীয় এর মধ্যে পড়ে তবুও এখানে আলোচনা করে রাখছিলা। বাক্সের ভিতরে গ্যারান্টি বা ওয়ারেন্টি কার্ড, মোবাইল চার্জার ও হেডফোন ইত্যাদি আছে কিনা চেক করে নিবেন। তাছাড়া বাক্সের গায়ে থাকা বারকোড ও স্ক্যানার কোড এর মাধ্যমে যাচাই করতে পারেন। 

কোন ই-কমার্স সাইট বা অনলাইন থেকে মোবাইল কেনার ক্ষেত্রে ডেলিভারি ম্যান এর সামনে মোবাইলটি চেক করে নিবেন। তবে আমার ব্যক্তিগত পরামর্শ অনলাইন থেকে মোবাইল না কেনাই ভালো। 

ফোনটি পুরোপুরি চার্জ করুন

অনেকেই জিজ্ঞাসা করে থাকেন নতুন ফোন কেনার পর কতক্ষণ চার্জ দিতে হয়? তাই আমি এখানে নতুন ফোন চার্জ করার নিয়ম নিয়ে আলোচনা করব। 

নতুন মোবাইল কেনার পর সম্পূর্ণ চার্জ (১০০%) না হওয়া পর্যন্ত ব্যবহার করবেন না। অনেকে নতুন ফোন পাওয়া মাত্র ব্যবহার করতে থাকেন। এতে করে মোবাইলের ব্যাটারি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।মোবাইলের ব্যাটারি দীর্ঘদিন সুস্থ রাখতে চাইলে ফোন কেনার সাথে সাথে চার্জে দিবেন। 
ওয়াইফাই সংযুক্ত করুন

গুগল অ্যাকাউন্ট এর সাথে সংযুক্ত করুন

নতুন মোবাইল ফোন চালু করার পরে গুগল একাউন্টে সাইন ইন করার অপশন আসবে। এটিকে স্কিপ না করে আপনার ব্যবহৃত ই-মেইলটি দিয়ে সাইন ইন করবেন। গুগল একাউন্ট সাইন ইন না করলে প্লে স্টোর সহ অনেক কিছু ব্যবহার করতে পারবেন না। সাইন ইন করার সময় আপনার ইমেইলের পাসওয়ার্ড ফোনে সেভ করে রাখবেন না। 

অ্যাপ আপডেট করুন

নতুন এন্ড্রয়েড ফোন কেনার পর ডিফল্ট কিছু অ্যাপস ইন্সটল করা পাবেন। এই অ্যাপসগুলো সাধারনত আপডেট করা হয় না। কাজে গুগল প্লে স্টোর থেকে আপনাকে অ্যাপস গুলো আপডেট করতে হবে। কারণ অ্যাপসগুলোর পুরাতন ভার্সনে অনেক ফিচার থাকেনা এবং বাগ (অ্যাপসের কোন টেকনিক্যাল ত্রুটি বলতে পারেন) থাকে। 

অপ্রয়োজনীয় ফাইল ডিলিট করুন

নতুন মোবাইল কেনার পর সাধারণত অনেক জাঙ্ক ফাইল পাওয়া যায়। এসকল ফাইল ডিলিট করে দেওয়াই ভালো। কারণ এসব ফাইলে অনেক সময় ভাইরাস থাকতে পারে। তবে ডিলিট করার পূর্বে চেক করে নিবেন কোন গুরুত্বপূর্ণ ফাইল যেন মুছে না ফেলেন। 

তাছাড়া আপনি চাইলে ডিফল্ট অ্যাপসগুলো ডিসএবল (বেশিরভাগ ফোনে আনইন্সটল করা যায় না) করে দিতে পারেন। সাধারণত ডিফল্ট অ্যাপসগুলো লাইট ভার্সন হয়ে থাকে (যেমনঃ ফেসবুক ও ইউটিউব লাইট)। কাজেই আপনি প্লে স্টোর থেকে মূল ভার্সন ইন্সটল করে লাইট ভার্সন ডিসএবল করতে পারেন। 

ব্লোটওয়্যার রিমুভ করুন

নতুন ফোনে বাণিজ্যিক কারণে কোম্পানি থেকে কিছু অ্যাপস দিয়ে দেয়। এগুলো আপনার কাজে নাও লাগতে পারে। অন্যদিকে এসকল অ্যাপস ব্যাকগ্রাউন্ডে কাজ করে অনেক সময় ফোনের চার্জ দ্রুত শেষ করে ফেলে। 

যদি কোন কারণে আনইন্সটল করতে না পারেন তবে ফোনের সেটিংস থেকে ডিসএবল করে রাখুন। এটি করলে পরবর্তীতে যদি এসকল অ্যাপস কাজে লাগে তাহলে পুনরায় এনাবল করবেন। আশা করছি ব্লোটওয়্যার নিয়ে আপনাদের কোন সমস্যা হবে না। 

ফোনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন

আপনার মোবাইলের যাবতীয় তথ্যাবলী একান্ত ব্যক্তিগত হতে পারে, তাই এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অতি গুরুত্বপূর্ণ। ফোনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ফোনের সেটিংসের সিকিউরিটি অপশনে গিয়ে ফিঙ্গার প্রিন্ট লক, পাসওয়ার্ড লক বা প্যাটার্ন লক সেটআপ করুন। ফলে আপনি বাদে অন্য কেউ আপনার ফোন হাতে পেলেও ঘাঁটাঘাঁটি করতে পারবেনা এবং আপনার ব্যক্তিগত তথ্যাবলী নিরাপদে থাকবে। 

এছাড়াও আপনি চাইলে আলাদা আলাদা অ্যাপ যেমন মেসেঞ্জার, ফটো গ্যালারি এসবের জন্য অ্যাপলক ব্যবহার করতে পারেন, যাতে করে কেউ আপনার ফোন অন্য কোন কাজে ব্যবহারের জন্য ওপেন করলেও এসব নির্দিষ্ট অ্যাপে ঢুকতে না পারে। এতে ব্যক্তিগত মেসেজ, ফটো ও ভিডিও ইত্যাদি সুরক্ষিত থাকবে। 

প্রয়োজনীয় অ্যাপ ইনস্টল করুন

অ্যাপস ছাড়া মোবাইল ব্যবহারের কথা চিন্তা করাই যায় না। কাজেই ফোন কেনার পর সরাসরি গুগল প্লে স্টোর বা অ্যাপ স্টোর (আইফোনের ক্ষেত্রে) থেকে অ্যাপস ইন্সটল করবেন। অন্য কোন থার্ড পার্টি সাইট থেকে অ্যাপস ইন্সটল করবেন না। কারণ এগুলো আপনার ফোনে থাকা সমস্ত একাউন্টের পাসওয়ার্ড (যেমনঃ ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম, জিমেইল ইত্যাদি) ও ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করতে পারে। এছাড়া যেনতেন অনিরাপদ অ্যাপস ব্যবহারে ফোনে ভাইরাস ঢুকে যেতে পারে। তবে প্লে স্টোর ও অ্যাপ স্টোর থেকে ইন্সটল করা অ্যাপসসমূহ নিরাপদ হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে গুগল ও অ্যাপল এগুলো যাচাই বাছাই করার পরেই তাঁদের প্ল্যাটফর্মে পাবলিশ করে থাকে। 

পুরাতন ফোনের ফাইল ট্রান্সফার করুন

যদি আপনার এর আগেও স্মার্টফোন ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে পুরাতন ফোনটি ভিন্ন ভাবে কাজে লাগানোর পূর্বে প্রয়োজনীয় অনেক ফাইল আপনার নতুন স্মার্টফোনে ট্রান্সফার করুন যেমনঃ কন্টাক্ট লিস্ট, ছবি, গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট ও ভিডিও ইত্যাদি। 

এগুলো কোন ফাইল শেয়ারিং অ্যাপের মাধ্যমে শেয়ার করে নতুন ফোনে নিয়ে আসা যায়। তবে তা বেশ সময়সাপেক্ষ হবে কারণ বাছাই করে শুধু দরকারি জিনিস নতুন ফোনে নিয়ে আসতে হবে। এক্ষেত্রে আপনি ক্লোন-ইট বা শেয়ার-ইট ধরনের ক্লোনিং অ্যাপ্লিকেশন এর মাধ্যমে আগের ফোনটির সকল ডাটা নতুন ফোনে নিয়ে আসতে পারবেন। 

এতে করে আপনার ফোন নতুন হলেও আগের ফোনের সব তথ্য চলে আসবে এবং তা আপনার কাজকে কয়েকগুণে সহজ করে দিবে।

ভালো মানের ফোন কভার ব্যবহার করুন 

আপনার নতুন স্মার্টফোনটি কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হোক তা আপনি কখনোই চাইবেন না। তাই ফোনে যাতে কোন রকম দাগ না পড়ে কিংবা কালার উঠে না যায় তাই অবশ্যই ফোনের জন্য ভালোমানের একটি ব্যাক কভার ব্যবহার করুন। আমি ব্যক্তিগতভাবে কালো রঙের লেদারের ব্যাক কাভার ব্যবহার করি। তবে মেয়েদের ক্ষেত্রে ড্রেসের কালারের সাথে ম্যাচিং করে কিংবা স্টাইলিশ ব্যাক কাভার জুতসই হবে। ফোনের বিভিন্ন মডেল এর জন্য আলাদা আলাদা ব্যাক কভার বাজারে পাওয়া যায়। 

আই এম ই আই নম্বর সংরক্ষণ

মোবাইলের আই এম ই আই (International Mobile Equipment Identity) নাম্বার সংরক্ষণ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ। যা আমরা অনেক সময় অবহেলা করে থাকি বা পাত্তা দেই না। নতুন মোবাইল কেনার সময় ফোনের প্যাকেটের বা বক্সের বাইরে স্টিকারে এই আই এম ই আই নাম্বার উল্লেখ করা থাকে।

মোবাইল এর এই IMEI নাম্বার আপনাকে অবশ্যই সংরক্ষণ করতে হবে। এটি আপনি বিভিন্ন উপায়ে সংরক্ষণ করতে পারেন যেমনঃ আপনার ইমেইলে, ফেসবুক মেসেঞ্জারে কিংবা অন্য কোন ডিজিটাল উপায়ে। এমনকি চাইলে তা বাসার কোথাও লিখে রাখতে পারেন। যা পরবর্তীতে জরুরী প্রয়োজনে কাজে লাগতে পারে। 

ধরুন আপনার মোবাইল হারিয়ে গেলে বা চুরি, ডাকাতি বা ছিনতাই হয়ে গেলে আপনি এই IMEI নাম্বার নিয়ে থানায় জিডি বা মামলা করতে পারবেন। আপনার যদি এই আইএমইআই নাম্বার হারিয়ে যায় বা সংরক্ষণ করতে না পারেন তাহলে থানায় গিয়ে আপনি জিডি বা মামলা করতে ঝামেলা হতে পারে। এছাড়া এটি ব্যতীত পুলিশের পক্ষে আপনার ফোন খুঁজে বের করা কষ্টসাধ্য। 

মনে রাখবেন IMEI নম্বর উল্লেখ নেই এমন কোন মোবাইল কিনবেন না। এটি আনঅফিসিয়াল বা অবৈধ মোবাইল হতে পারে। এছাড়া বর্তমানে চুরি করা মোবাইল ভুয়া IMEI নম্বর লাগিয়ে বিক্রি করা হয়। এই বিষয়ে সতর্ক থাকবেন এবং আমাদের দেখান পদ্ধতিতে চেক করে নিবেন। 

মোবাইল কেনার সময় যখন আপনি আইএমআই নম্বরের মাধ্যমে আপনার মোবাইল ফোনের বিটিআরসি বৈধতা যাচাই করবেন তখনই তা সংরক্ষণ করবেন। 

যদি আপনি মোবাইলের বক্সে IMEI নাম্বার খুঁজে না পান তাহলে আপনার মোবাইল ডিভাইসের ডায়াল অপশনে গিয়ে *#06# নাম্বারে ডায়াল করলে আপনি আইএমইআই নম্বরটি পেয়ে যাবেন।

একটা কথা বলে রাখি যে সব ফোনে দুইটি সিম ব্যবহার করা যায় সেসব মোবাইলের ক্ষেত্রে দুইটি IMEI নম্বর  থাকে। ডায়াল অপশনের মাধ্যমে আপনি যখন IMEI নম্বর পাবেন তা স্ক্রিনশট নিয়ে ই-মেইল একাউন্ট, গুগল ড্রাইভ বা কোথাও লিখে সংরক্ষণ করবেন। 

স্ক্রিন প্রটেক্টর ব্যবহার করুন

ফোনের ডিসপ্লেকে সুরক্ষিত রাখাতে ফোনের উপর গ্লাস প্রটেক্টর লাগিয়ে নিন। তবে অনেক নতুন মোবাইলে এটি কোম্পানি থেকে দিয়ে দেওয়া হয়। আপনার কেনা নতুন অ্যান্ড্রোয়েড ফোনে এটি না থাকলে দোকান থেকে কিনে লাগিয়ে দিতে বলবেন। এটি নিজে লাগাতে যাবেন না; এক্ষেত্রে মোবাইল ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে।

ফলে ফোনের স্ক্রিন আঘাতপ্রাপ্ত হলে হয়ত প্রটেক্টরটি ফেটে যাবে যা সহজেই কম খরচে পরিবর্তন করা সম্ভব। কিন্তু ফোনের দামী ডিসপ্লে ড্যামেজ হওয়া থেকে রক্ষা পাবে। অনেক সময় ফোনের স্ক্রিনের উপর পানি পরলে এটি ডিসপ্লেকে রক্ষা করবে। তাছাড়া স্ক্রিন প্রটেক্টর মোবাইলের ফ্রন্ট ক্যামেরাও সুরক্ষিত রাখে। 

সিকিউরিটি এক্সেস

নতুন স্মার্টফোন চালু করার সাথে সাথে পিন, পাসওয়ার্ড বা প্যাটার্ন লক সেটআপ করবেন। তাছাড়া যদি সম্ভব হয় তাহলে ফেস আনলক সিস্টেমটি চালু করতে পারেন। যদিও কিছু কিছু মোবাইলের ক্ষেত্রে এই ফেস  আনলক সিস্টেম সুবিধার না তাই ফেস আনলক থেকে বিরত থাকতে পারেন।  

তবে আপনি ফিঙ্গার প্রিন্টের মাধ্যমে ফোন লক বা আনলক অপশন রাখতে পারেন।  সেক্ষেত্রে অবশ্যই চেষ্টা করবেন দুই আঙুলের ফিঙ্গার প্রিন্ট রাখার। কারণ আপনার কোন একটি আঙ্গুলে আঘাত পেলে অপর আঙ্গুল দিয়ে কাজ চালিয়ে নিতে পারেন।  

নতুন ফোনে ওয়াইফাই সংযুক্ত করুন

নতুন ফোন কেনার পর ওয়াইফাই সংযুক্ত করে নিবেন। কারণ বিভিন্ন এপস ইনস্টল করতে প্রচুর ডাটার প্রয়োজন হবে। এছাড়া ফোনে ওয়াইফাই ঠিকঠাক মত কাজ করছে কিনা সেটিও চেক করতে পারবেন। যদি ওয়াইফাই না থাকে অথবা সংযুক্ত করতে না পারেন তবে সিমের ডাটা ব্যবহার করবেন। দুইটি সিম থাকলে ১নং সিম দিয়ে এমবি কেনার জন্য চেষ্টা করবেন। ১নং সিমের ডাটার স্পিড ভালো পাওয়া যায়।

আগের রিংটোন সেটাপ করুন

এটি পুরোপুরি আপনার উপর নির্ভর করে। আমরা নতুন ফোন কিনে থাকলে সাধারণত নতুন রিংটোন উইজ করে থাকি। ফলে ফোন/ মেসেজ আসলে বুঝতে পারি না। এক্ষেত্রে আপনার পুরাতন ফোনের রিংটোনটি ব্যবহার করার জন্য চেষ্টা করবেন।  তবে আপনি চাইলে নতুন মোবাইলে নতুন রিংটোন ব্যবহার করে দেখতে পারেন। 

শেষ কথা - নতুন ফোন কেনার পরে করণীয় ২০২২

নতুন স্মার্টফোন কেনার পরে তা নিজের স্বাচ্ছন্দ্য অনুযায়ী ব্যবহারের জন্য কিছু কাজ করতে হয়। অনেকেই তা বুঝে উঠেন না যার ফলে নতুন ফোনের সর্বোচ্চ সুবিধা পান না। আজকের লেখাটি থেকে আপনাদেরকে নতুন স্মার্টফোন কেনার পর কি কি করণীয় তা সম্পর্কে ধারণা দিতে পেরেছি বলে আশা করছি। 

শেয়ার করলে মিষ্টি পাবেন

0 জন কমেন্ট করেছেন

Please read our Comment Policy before commenting. ??

পটেনশিয়াল আইটি কী?